• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

রংপুরের পীরগাছায় দিনমজুর সিদ্দিক হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আদালতরংপুর: দিনমজুরকে হত্যার দায়ে রংপুরে ৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রংপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, পীরগাছা উপজেলার ছোট কল্যাণী এলাকার মৃত বছির উদ্দিনের পুত্র ফরহাদ হোসেন, সৈয়দ আলীর পুত্র নুর মোহাম্মদ মিয়া, তোজাম উদ্দিনের পুত্র আব্দুল। আর একই এলাকার আব্দুছ ছাত্তারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, পীরগাছা উপজেলার কল্যাণী ইউনিয়নের ছোট কল্যাণী এলাকার দিন মজুর সিদ্দিক হোসেনের স্ত্রী একই এলাকায় আব্দুছ ছাত্তারের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতো। আব্দুছ ছাত্তার তাকে প্রায়ই কু প্রস্তাব দিত। সিদ্দিকের স্ত্রী বিষয়টি সিদ্দিককে জানালে এ নিয়ে ছাত্তারের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। ছাত্তার এক পর্যায়ে সিদ্দিককে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। এই ঘটনার জের ধরে ১৯৯৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি বাঁশঝাড়ে সিদ্দিক হোসেনের লাশ পাওয়া যায়।

অভিযোগ আছে যে, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে প্রথমে মামলাটি পীরগাছা থানায় ইউডি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়। পরবর্তী সময়ে ১৯৯৪ সালে ৪ জুন পুলিশ বাদি হয়ে এটিকে হত্যা মামলায় স্থানান্তর করে। মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় সিআইডিকে। ২০০৩ সালে তৎকালীন সিআইডি’র পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন  তদন্ত শেষে ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বৃহস্পতিবার এই মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।

রায়ে এক নম্বর আসামি ছোট কল্যাণী এলাকার মৃত জমির উদ্দিনের পুত্র আব্দুছ ছাত্তার অন্ধ হয়ে যাওয়ার তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া ৩ জনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পিপি ফারুক মোহাম্মদ রিয়াজুল করিম আর আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আব্দুর রহমানসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ